Posts

চেক ডিজঅনার মামলা বিষয়ক সাধারণ জিজ্ঞাসা।

 চেক নিয়ে আপনাদের সচরাচর জিজ্ঞাসা। প্রশ্ন: চেক ডিজঅনার কিভাবে করতে হবে। উত্তর: চেকের যে ডেট দেওয়া থাকে সেই ডেট থেকে ৬ মাসের মধ্যে আপনাকে অবশ্যই চেক ডিজঅনার করতে হবে। সাথে ব্যাংক থেকে ডিজঅনার স্লিপ নিতে হবে। একের অধিক ডিজঅনার করতে হবে এমন কোন কথা নেই। প্রশ্ন: ডিজঅনার পরবর্তী করণীয় কি? উত্তর: ডিজঅনার করার পর ৩০ দিনের মধ্যে অবশ্যই কোন আইনজীবীর মাধ্যমে চেক দাতাকে লিগ্যাল নোটিশ দিতে হবে। প্রশ্ন: লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার পর কিভাবে মামলা করব। উত্তর: লিগ্যাল নোটিশে চেক দাতাকে অবশ্যই ৩০ দিন সময় দিতে হবে যেন এর মধ্যে সে টাকা পরিশোধ করে। যদি ৩০ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করে তাহলে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে সিএমএম অথবা সিজিএম কোর্টে সি আর মামলা করতে হবে। মনে রাখবেন, লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার ৩০ দিন পর এবং ৬০ দিনের মধ্যে অবশ্যই মামলা করতে হবে। অর্থাৎ লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে অবশ্যই মামলা করতে হবে। প্রশ্ন: মামলায় কেমন খরচ লাগতে পারে? উত্তর: সেটা নির্ভর করবে আপনার আইনজীবীর উপর। প্রশ্ন: আমার কাছে চেক আছে কিন্তু সেটার মেয়াদ নাই অথবা ডিজঅনার করিয়েছি কিন্তু সঠিক সময়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠাইনি। ...

একই অভিযোগের বিষয়ে এক ব্যক্তিকে দুইবার শাস্তি দেওয়া যায় কিনা?

একটি মামলায় পূর্বে খালাস পেয়েছে খালাসে সংক্ষুব্ধ হয়ে বাদী পুনরায় নতুন মামলা করতে পারবেনা। এক্ষেত্রে আপিল করা যাবে। তবে বিচার কাজ সম্পন্ন হওয়া কোন অভিযোগে নতুন করে মামলা করা যাবে না। বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, "এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি কে একাধিকবার ফৌজদারি তে সোপর্দ ও দন্ডিত করা যাবে না।" ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না।  অর্থাৎ যদি কোন ব্যক্তি একটি অপরাধে একবার দণ্ডিত অথবা খালাসপ্রাপ্ত হয়ে থাকে একই অপরাধে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না তবে কোন পক্ষ যদি সংক্ষুব্ধ হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে তাকে আপিল করতে হবে। উল্লেখ্য যে একবার চার্জ গঠন করা হলে বিচার সম্পন্ন হোক আর না হোক নতুন করে একই অপরাধে ওই ব্যক্তিকে নতুন মামলা দেওয়া যাবে না।  ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারা প্রয়োগ করতে হলে তিনটি শর্ত প্রযোজ্য হবে। ১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধ চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে হবে। ২. উক্ত বিচার অবশ্যই একটা সম্পূর্ণ কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে। ৩. ব...

আইনানুগ প্রতিনিধি (লিগ্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ)

দেওয়ানী কার্যবিধির ২(১১) ধারাতে আইনানুগ প্রতিনিধি অথবা লিগ্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। যদি কেউ মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করে, যে মৃত ব্যক্তির সম্পাতি পরিচালনা করে, অথবা মৃত ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা করে অথবা মৃত ব্যক্তির মোকদ্দমা যার উপর বর্তায় কাকে লিগ্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ বলে। তিন শ্রেণীর ব্যক্তি আইনানুগ প্রতিনিধি বলে গণ্য হবে;  ১. যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করে ৰা যে ব্যক্তির উপর ব্যক্তির সম্পত্তি বর্তায় যেমন উত্তরাধিকারী ।  ২. যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনা করে । যেমন প্রশাসক  ৩. যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধি হিসেবে মোকদ্দমা করে বা মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধি হিসেবে যার বিরুদ্ধে মামলা করা যায়। যেমন মোহান্ত বা সেবাইত। আপনার যে কোনো আইনি সমস্যার কল করুন: ০১৬১৮৯৮৯৭৯৭

বিবাহবিচ্ছেদ অথবা স্বামীর মৃত্যুর কত বছরের মধ্যে দেনমোহর আদায়ের মামলা করতে হয়।

 বিয়ে একটি সামাজিক চুক্তি। বিয়ের মাধ্যমে নারী ও পুরুষ একে অপরের স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করে এবং সন্তান-সন্ততি জন্মদান করে। বিয়েতে কাবিন হচ্ছে অত্যাবশ্যক উপাদান। কাবিন ছাড়া কোন বিবাহ সম্পাদন হয় না। মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী বিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক। বিয়ের পর যদি কোনো কারণে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ হয় তাহলে সেটা হতে পারে তালাকের মাধ্যমে অথবা স্বামীর মৃত্যুর মাধ্যমে।  যদি কোনো কারণে বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাহলে তিন বছরের মধ্যে পারিবারিক আদালতে কাবিন আদায়ের মামলা করতে হবে। যদি কেউ তিন বছরের মধ্যে পারিবারিক আদালতে মামলা না করে তাহলে সেই মামলা খারিজ হয়ে যাবে। তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৩ ও ১০৪ অনুযায়ী বিবাহ বিচ্ছেদের পর কাবিন আদায়ের মামলা তিন বছরের মধ্যে করতে হবে। যদি কেউ তিন বছরের মধ্যে না করে তাহলে তার মামলা আইন দ্বারা বারিত হবে। তখন তার মামলা খারিজ হয়ে যাবে। আপনার যে কোন আইনি সমস্যায় কল করুন: ০১৬১৮৯৮৯৭৯৭

সরকারি চাকরিজীবীদের গ্রেফতার ও সামরিক বরখাস্ত কখন এবং কিভাবে হয়।

Image
বর্তমান সময়ে একটি প্রচলিত কথা আছে সরকারি চাকরিজীবীর বিরুদ্ধে মামলা করা বা গ্রেপ্তার করা যাবে না। কোন সরকারি চাকরিজীবীর বিরুদ্ধে থানায় কোন মামলা নিতে চায় না। তবে এটি একটি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে থানায় মামলা অনেকেই করতে পারেন না এবং পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেনা। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪১ (১)  ধারা অনুযায়ী  ''কোনো সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সহিত সম্পর্কিত অভিযোগে দায়েরকৃত ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক অভিযোগপত্র গৃহীত হইবার পূর্বে, তাহাকে গ্রেফতার করিতে হইলে, সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি গ্রহণ করিতে হইবে।'' অর্থাৎ শুধু তার চাকরি সম্পর্কিত বিষয় কোন অপরাধ হলে গ্রেপ্তার বিষয়ক এই নীতি অনুসরণ করবে। চাকরি দায়িত্ব পালন করার সময় সংঘটিত অপরাধ ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। অন্য ব্যক্তিগত যেকোনো ফৌজদারি অপরাধ (খুন, চুরি, ডাকাতি, মারামারি, নারী নির্যাতন, যৌতুক ইত্যাদি) এর ক্ষেত্রে  সরাসরি তাকে গ্রেফতার করা যাবে কারো কোনো পূর্ব অনুমতি লাগবে না। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই পুলিশ সরকারি কর্মচারীকে আইনের অজুহাত দেখিয়ে গ্রেপ্তার করতে চায়না। যদি এমনটি হয়...

পিতা মাতার ভরণ-পোষণ পাওয়ার আইনগত অধিকার।

Image
পিতা মাতা আইনগত ভাবে সন্তান থেকে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী। ভরণপোষণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে, পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩। প্রণয়ন করা হয়েছে। উক্ত আইনে ভরণপোষণ ভরণপোষণ দিতে সন্তানদের বাধ্য করা হয়েছে। সন্তান বলতে সামর্থ্যবান কন্যা এবং পুত্র উভয়কে বুঝাবে। পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩ এ উল্লিখিত পিতা মাতার অধিকার সমূহ: ১) প্রত্যেক সন্তানকে তাহার পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করিতে হইবে। (২) কোন পিতা-মাতার একাধিক সন্তান থাকিলে সেইক্ষেত্রে সন্তানগণ নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করিয়া তাহাদের পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করিবে। (৩) এই ধারার অধীন পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করিবার ক্ষেত্রে প্রত্যেক সন্তানকে পিতা-মাতার একইসঙ্গে একই স্থানে বসবাস নিশ্চিত করিতে হইবে। (৪) কোন সন্তান তাহার পিতা বা মাতাকে বা উভয়কে তাহার, বা ক্ষেত্রমত, তাহাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে, কোন বৃদ্ধ নিবাস কিংবা অন্য কোথাও একত্রে কিংবা আলাদা আলাদাভাবে বসবাস করিতে বাধ্য করিবে না। (৫) প্রত্যেক সন্তান তাহার পিতা এবং মাতার স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ খবর রাখিবে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা ও পরিচর্যা করিবে। (৬) পিতা বা মাতা কিংবা উভয়...

ধর্ম অবমাননা এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত নিয়ে আইন যা বলে।

Image
কোন ধর্মীয় স্থানের ক্ষতি সাধন, অসম্মান করা, লিখিত বা মৌখিকভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা তৈরি, অসম্মান করার উদ্দেশ্যে ধর্মীয় স্থানে অনধিকার প্রবেশ বা ধর্মীয় বাক্য বা শব্দের বিকৃতি ধর্মীয় অবমাননা বলে গণ্য হবে। ধর্ম অবমাননা যে কোন ধর্মের বিপক্ষেই হতে পারে। সকল ধর্মের মানুষই ধর্ম অবমাননার শিকার হতে পারেন। ধর্ম অবমাননার শাস্তি: দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারায় বলা হয়েছে, কোন ধর্মীয় স্থান বা সেখানকার কেনা বস্তু ধ্বংস করা, ক্ষতি করা বা অসম্মান করাকে ধর্মীয় অবমাননা হিসাবে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। ২৯৫(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে দেশের কোন নাগরিককে মৌখিক, লিখিতভাবে বা অন্য কোন উপায়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হলে তা ধর্মীয় অবমাননা বলে গণ্য হবে। উক্ত অপরাধের ক্ষেত্রে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। ২৯৬ ধারায় বলা হয়েছে, আইনসঙ্গতভাবে আয়োজিত ধর্মীয় কোন সমাবেশ বা অনুষ্ঠানে কেউ বাধা বা বিশৃঙ্খলার তৈরি করলে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে। তাহলে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ড হত...

সমকামিতা নিয়ে (homosexuality) আইন ও ইসলাম।

Image
কিছুদিন যাবত আবারও সমকামিতা নিয়ে সারাদেশে ঝড় উঠেছে কিছু মানুষের সমকামিতা সমর্থনের কারণে সাধারণ মানুষের মনের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। চলুন জেনে নেই বাংলাদেশের আইন এবং ইসলামে সমকামিতা নিয়ে কি বলে। সমকামিতা নিয়ে বাংলাদেশের আইন: সমকামিতা নিয়ে যদিও বাংলাদেশে কোনো স্পষ্ট আইন নেই কিন্তু বাংলাদেশ দণ্ডবিধির,১৮৬০ এর ৩৭৭ ধারা অনুযায়ী পায়ুমৈথুন শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ, এ আইনে বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তি যদি স্বেচ্ছায় কোন পুরুষ, নারী বা পশু সাথে প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে যৌন সঙ্গম করে, তবে সে যাবজ্জীবন দণ্ডের দণ্ডিত  হতে পারে অথবা বর্ণনার কারাদন্ডে-যাহার ১০ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে এবং অর্থদণ্ড। সমকামিতা নিয়ে ইসলাম: কোরআনে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন যা বলেছেন, "এবং আমি লূতকে প্রেরণ করেছি। যখন সে স্বীয় সম্প্রদায়কে বললঃ তোমরা কি এমন অশ্লীল কাজ করছ, যা তোমাদের পূর্বে সারা বিশ্বের কেউ করেনি ? তোমরা তো কামবশতঃ পুরুষদের কাছে গমন কর নারীদেরকে ছেড়ে। বরং তোমরা সীমা অতিক্রম করেছ।" (সূরা আল আরাফ,আয়াত: ৮০-৮১) "সারা জাহানের মানুষের মধ্যে তোমরাই কি পুরূষদের সাথে কুকর...

পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট কি ও কত ধরনের

Image
ফৌজদারী কার্যবিধি,১৮৯৮ এর ১৭৩ ধারায় পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদনের কথা বলা হয়েছে। কোন অভিযোগের পর পুলিশ তার সত্যতা যাচাই করে যে রিপোর্ট প্রদান করে তা পুলিশ তদন্ত রিপোর্ট। যা ২ ধরনের ১. চার্জশীট (charge sheet) ২. ফাইনাল রিপোর্ট (final report) চার্জশীট বা অভিযোগপত্র: অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে পুলিশ যে প্রতিবেদন দেয় তাই চার্জ শীট ৷ পুলিশ বি.পি.ফর্ম নং ৩৯ এ চার্জশীৰ্ট জমা দেয় ৷ রিপোর্ট বা প্রতিবেদনে যথেষ্ট অভিযোগ গঠনের বিষয়বস্তু থাকে , তাহলে সাধারণত সেই প্রতিবেদনকে চার্জ শীট বা অভিযোগ পত্র বলে। মনে রাখবেন চার্জশীটের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা ফাইনাল রিপোর্ট: তদন্তকারী কর্মকর্তা (IO) অপরাধের সত্যতা খুঁজে না পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি ( discharge) করার সুপারিশ করে যে রিপোর্ট দেয় তা হলো চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা ফাইনাল রিপোর্ট ৷ পুলিশ রেগুলেশনের ২৭৫ (গ) ধারায় বলা হয়েছে , চুড়ান্ত রিপের্টের সাথে পুলিশ হেফাজত হতে আটককৃত ব্যক্তিকে যুক্তি দিতে বা জামিন (বণ্ড ) থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে একটি সুনির্দিষ্ট আবেদন জমা দ...

জালিয়াতি কি ও শাস্তি

Image
আমরা প্রায়ই জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতারিত হই যা দন্ডবিধি,১৮৬০ এর ৪৬৩ ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে: কোন ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কোন দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করে: ক. কোন ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতিসধন করতে। খ. কোন দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে। গ. কোন লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে। ঘ. প্রতারণা করতে। মনে রাখবেন জালিয়াতির সাথে লিখিত জিনিস জরিত। লিখিত দলিলের কোন অসংগতি করেই জালিয়াতি করা যায়। মনে করুন করিম এর নিকট রহিম কর্তৃক লিখিত রুহুল কর্তৃক পরিশোধনীয় ১০,০০০ টাকার একখানা ঋণপত্র আছে ৷ করিম রুহুলকে প্রতারিত করার জন্য এই অভিপ্রায়ে ১০,০০০ টাকার সাথে একটি শূন্য যোগ করে দেয় ও টাকার পরিমাণ  ১,০০,০০০ টাকা করে যেন রুহুল বিশ্বাস করে যে , রহিম কর্তৃক পত্রটি অনুরুপ লিখেছেন এখানে করিম জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে। করিমকে জালিয়াতির জন্য দোষী সাব্যস্থ করা যাবে। ধারা-৪৬৫ অনুযায়ী যদি কোন লোক জালিয়াতি করে, তাবে সে লোক দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে আইনি ব...

ঘোষণামূলক মোকদ্দমা কোন বিষয়ে করা যায়

Image
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৪২ ধারা অনুযায়ী ২ টি বিষয়ে #ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করা যায়। ১. কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয়। আইনগত পরিচয় বলতে ব্যক্তির পরিচয়ের বিশেষ অধিকারকে বুঝায়। যেমন: বৈধতা, দত্তক, বিবাহ, তালাক কে বুঝাবে। যদি কারো বিরোধ্য তার আইনগত পরিচয় অস্বিকার করা হয় তখন সে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে পারে। কোন পদের অধিকার থাকা ব্যক্তির যদি পদ অস্বীকৃত হয় তখনও সে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে পারে। যেমন কলেজের অধ্যক্ষের পদ কেহ অস্বীকার করলে বা করার সম্বাবনা থাকলে সে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে পারে। ২. সম্পত্তিতে কোন অধিকারের বিষয়ে। যেমন বাদীর সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার আছে কিনা সেই বিষয়ে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করা যায়। যেমন কেহ তার নিজ দখলীয় স্বত্বের অধিকারী সম্পত্তিতে ঘোষণার মোকদ্দমা করতে পারে। তবে স্বত্ব আছে দখলে নেই সেই সম্পত্তিতে আনুষাঙ্গিক প্রতিকার হিসেবে দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা না করলে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার রায় দিবে না। ঘোষণামূলক মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারীর আবেদন করা যায় না। তাই আনুষঙ্গিক বিষয় থাকলে সেই বিষয়েও কোর্ট ফি দিয়ে মোকদ্দমা করতে হবে নাহলে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা...

থানায় কিভাবে ফৌজদারী মামলা করতে হয়।

Image
থানায় দুই ভাবে ফৌজদারী #মামলা করা যায়। এজহার বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর মাধ্যমে ও সাধারন ডায়েরীর মাধ্যমে। #এজহার বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর মাধ্যমে মামলা: ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১৫৪ অনুযায়ী, যে ব্যাক্তি কোন আমলযোগ্য অপরাধ দেখেছে সে বা শুনেছে সে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দরখাস্ত আকারে অভিযোগ দায়ের করতে পারে। যাকে এজহার বলে। যদি অভিযোগকারী মৌখিক ভাবে কোন অপরাধের সংবাদ প্রদান করে তবে ওসি তার নির্দেশিত মতে লিখিত আকারে নিতে পারে। লিখিত আকারে অভিযোগ নেওয়ার পর তা থানার বি.পি. ফর্ম নং-২৭ এ লিপিবদ্ধ করবে। যা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামে পরিচিত। প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর নিচে অভিযোগকারী স্বাক্ষর করবে বা টিপসহি দিবে। এই মামলাকে জি.আর মামলা বলে। সাধারন ডায়েরী (#জিডি) এর মাধ্যমে মামলা: ধারা-১৫৫ অনুযায়ী যদি অভিযোগটি আমলইযোগ্য হয় তবে তা থানায় রক্ষিত ফর্ম নং-৬৫ তে লিপিবদ্ধ করবে। এবং সংবাদ দাতাকে নিকটস্থ আমলী আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরন করবে। ম্যাজিস্ট্রেট ধারা- ১৯০ অনুযায়ী আমলে নিবে। সাধারনত ম্যাজিস্ট্রেট থানায় তদন্তের জন্য পাঠায়। এই পদ্বতিতে দায়েরকৃত মামলাকে নন-জি....

কোর্টে মামলা কি ভাবে করতে হয়।

Image
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী যে কোন ব্যাক্তি কোর্টে গিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট সরাসরি মামলা করতে পারে। ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৯০ ধারা অনুযায়ী -#ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যাক্তির সরাসরি আবেদনে বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজ ইচ্ছায় মামলা আমলে নিতে পারে। ধারা-১৯০ (১ক) অনুযায়ী কোন ব্যাক্তির নালিশী অভিযোগের মাধ্যমে মামলা আমলে নিতে পারে। যদি অভিযোগটি মৌখিক হয় তবে ধারা-২০০ অনুসরণ করে অভিযোগকারীকে শপথপূর্বক পরিক্ষা করবে। আর যদি লিখিত আকারে দেওয়া হয় তবে ধারা-২০০ অনুসরনের দরকার নাই সরাসরি আমলে নিবে। কোর্টে মামলা করতে #আইনজীবীর প্রয়োজন হয় না তবে সাধারনত কোর্টে মামলা করতে হলে কোট আইনজীবীর মাধ্যমে উপস্থাপন করে মামলা করা হয় কারন আইনজীবী কোর্ট প্রসিডিউর মেনে মামলা দায়ের করতে পারে। আইনজীবী ঘটনা শুনে তা লিখিত আকারে কোর্টে উপস্থাপন করে। কোর্ট আমলে নিয়ে তদন্ত বা পরোয়ানা জারি করে থাকে। ধারা-১৯০ (১গ) অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট নিজ ইচ্ছায় কোন অপরাধের সংবাদ পেলে বা কোন সন্দেহবশত তা আমলে নিতে পারে। বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে আইনি বিষয়ে জানতে এবং সচেতন হতে সাহায্য করুন। আপনার যে কোন সমস্যায় পরাম...

মামলার চার্জশিটে প্রকৃত অপরাধী বাদ পরলে যা করতে হবে

Image
অনেকেই প্রশ্ন করেন মামলার প্রকৃত আসামী চার্জশিট থেকে বাদ পড়েছে কি করতে পারি আজকের আলোচনা তাদের জন্য। কোন মামলার চার্জশিটে যদি প্রকৃত আসামী যে অপরাধ সংগঠনে অংশ গ্রহন করেছিল সে বাদ যায় তবে তাকে আসামীভুক্ত করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপনি নারাজীর পিটিশন দিবেন। নারাজী অর্থ আমি মানি না। অর্থাৎ যাদের কে আসামী থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে তা আমি মানি না। তাকে আসামী করা হোক। মনে করেন আপনি কয়েক জনের মাধ্যমে ভিকটিম হয়েছেন এবং তাদের বিরোধ্য মামলাও করেছেন। কিন্তু মামলার তদন্ত রিপোর্টের সময় দেখলেন, অপরাধে সক্রিয় অংশগ্রহন ছিল কিন্তু পুলিশ তাদের চার্জশিট না দিয়ে ফাইনাল রিপোর্ট দিয়েছে যে তারা উক্ত অপরাধে জরিত নয়। তখন আপনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট #নারাজী পিটিশন দিবেন যেন বাদ যাওয়া আসামীদের অন্তর্ভুক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে বিচার করা হয়। ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২০০ ধারা আনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদীর জবানবন্দী গ্রহন করে তা ১৯০ ধারা অনুযায়ী আমলে নিবে। অথবা ২০২ ধারা অনুযায়ী অনুসন্ধানের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার বা অন্য কোন ব্যাক্তির নিকট প্রেরন করবে। মনে রাখবেন নারাজী পিটিশ...

আগাম জামিন কিভাবে নিতে হয়!

Image
আগাম জামিন হাইকোর্ট কর্তৃক সচরাচর ব্যবহার করা হয় ৷ আটকের সম্ভাবনা আছে এমন কোন ব্যক্তিকে আটকের পূর্বে যখন জামিন দেওয়া হয় তখন তাকে আগাম জামিন (Anticipatory bail) বলে। জামিন অযোগ্য অপরাধে আটকের সম্ভাবনা আছে মনে করলে, কোন ব্যক্তি হাইকোর্টে বা দায়রা আদালতে জামিনের আবেদন করতে পারবেন। ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এ আগাম জামিন (anticipatory bail) সম্পর্কে কোন সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। উক্ত আইনের ৪৯৮ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা আদালতকে জামিন মঞ্জুরের অবাধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তবে সে ক্ষমতা বিচার বিবেচনায় সাথে প্রয়োগ করতে হবে I শুধুমাত্র ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিনের আবেদন করা যায় অন্যকোন ধারায় আবেদন করা যায় না। আগাম জামিন মন্জুর করার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা আদালতের একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। জামিনের আদেশ এবং আগাম জামিনের আদেশের মধ্যে পার্থক্য হলো জামিনের আদেশ অভিযুক্তকে আটকেৱ পরে মঞ্জুর করা হয় ও জামিনের আদেশ বলতে বোঝায় পুলিশ হেফাজত হতে আটককৃত অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া ৷ অন্যদিকে আগাম জামিন আটকের পূর্বে মঞ্জুর করা হয়। যে পদ্ধতির মাধ্যমে অভিযুক্ত আটক থেকে মুক্ত থাকে। ...

যেসকল ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (Injunction) মঞ্জুর করা যায় না

Image
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এ যে নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে তা হল ১. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা [ধারা : ৫৩] ২. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা [ধারা : ৫৪] ৩. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা [ধারা : ৫৫] কোন কোন ক্ষেত্রে এই নিষাধাজ্ঞা জারি করা যায় না তা হল: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, ১. যেই দেওয়ানি মামলা বিচারাধীন সেই মামলায় তার কার্যক্রম স্থগিতের জন্য যদি না কার্যধারার পুনরাবৃত্তির রোধ করার জন্য তেমন নিষেধাজ্ঞার আবশ্যক হয়। ২. যেই আদালতে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে, সেই আদালতের অধীনস্থ নয় এমন আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য। ৩. কাউকে আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য। ৪. সরকারের কোনো বিভাগের সরকারি কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য। ৫. কোনো ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য। যে চুক্তির কার্য সম্পাদন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না এমন চুক্তিভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্যে। ৭. কোনো কাজকে উৎপাত বলে বন্ধ করার জন্য যা কিনা যুক্তিসঙ্গতভাবে উৎপাতের পর্যায়ে পড়ে না। ৮. বাদীর মৌন সম্মতি আছে এমন কোনো ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করার জন্য। ৯. বাদীর আচরণ যদি আদালতের সাহায...

আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) কখন হয়

Image
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা দ্বারা আদালত বিবাদীকে কোন একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশ দেন। এই কাজটি বাদীর অধিকার ভঙ্গের ফলে সৃষ্টি হয়েছে। আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হল নালিশি সম্পত্তি বা বিষয়বস্তুকে পুর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। এটাকে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞাও বলে। কোনো বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করাবে রোধ করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করার আদেশ দেওয়াকে বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা বলে। ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে বলা হয়েছে। যখন একটি বাধ্যবাধকতা (obligation) ভঙ্গকে রোধ করার জন্য এমন নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় তখন আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে (Discretionary power) বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বিবাদীকে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।  এমন অনেক সময় হয় যে, বাদী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণের সাথে সাথে বিবাদী তাড়াহুড়া করে অপকর্মটি সম্পন্ন করে ফেলে। এমতাবস্থায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি অনেক সময় অর্থহীন হয়ে ...

নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞা (Prohibitory Injunction) কখন, কিভাবে করতে হয়।

Image
বিবাদীকে কোন অন্যায় কাজ করা হতে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দিয়ে আদালত যে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেন তাকে নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞা বলে। আসন্ন অন্যায় কাজকে প্রতিহত করার জন্য আদালত নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কোন চুক্তিভঙ্গ রোধ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে এই ধরণের নিষেধাজ্ঞা জারি করা যেতে পারে। নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞা হল এক প্রকারের নিরোধক প্রতিকার (Preventive relief)। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুসারে এই প্রকারের নিষেধাজ্ঞা অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী উভয় রকম হতে পারে। উদাহরণঃ করিম এর বাসার জানালার আল-বাতাস বন্ধ করার জন্য রহিম একটি উচু দেয়াল তৈরী করার প্রস্তুতি নেয়। রহিম এর এই ধরণের কাজ বন্ধ করার জন্য করিম নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে। লাইক দিয়ে, পোস্ট সম্পর্কে মন্তব্য করে এডমিনকে উৎসাহ প্রাদান করুন। বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে আইনি বিষয়ে জানতে এবং সচেতন হতে সাহায্য করুন। আপনার যে কোন সমস্যায় পরামর্শ পেতে কল করুন: ০১৬১৮৯৮৯৭৯৭

কোন দলিলে কত টাকার স্ট্যাম্প লাগবে

Image
রাজউকের প্লট ও ট্যাক্সের দলিলের জন্য মোট মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প; ট্রাস্ট ডিড ক্যাপিটাল দলিলের মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প; অছিয়তনামার কপির জন্য ৩০ টাকার স্ট্যাম্প; নকলের কবলা, বন্ড, বণ্টননামা, সার্টিফায়েড কপির দলিলের জন্য ৫০ টাকার স্ট্যাম্প; অনুলিপি, খাস-মোক্তারনামা দলিলের জন্য ১০০ টাকার স্ট্যাম্প; হলফনামা, বায়নার হলফনামা, হেবার ঘোষণাপত্র, না দাবি পত্র, বাতিলকরণ দলিলের জন্য ২০০ টাকার স্ট্যাম্প; চুক্তিনামা দলিল, অঙ্গীকারনামা, বায়নানামার দলিল, মেমোরেন্ডাম অব অ্যাগ্রিমেন্ট, রিডেম্পশন, সোলেনামা বা আপসনামার দলিলের জন্য ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প;আমমোক্তারনামা দলিল ও সাফকবলা দলিলের জন্য ৪০০ টাকার স্ট্যাম্প; তালাকের হলফনামার দলিলের জন্য ৫০০ টাকার স্ট্যাম্প; অংশীদারি দলিলের জন্য ২ হাজার টাকার স্ট্যাম্প; মর্টগেজ বা বন্ধকের দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে— ক. ১ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২ হাজার টাকা; খ. ২০ লাখ ১ টাকা থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ৫ হাজার টাকা; গ. ১ কোটি ১ টাকার ওপরের ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকার ও প্রতি লাখের জন্য ২ শতাংশ হারে মোট টাকার মূল্যমা...

যৌতুকের জন্য নারী নির্যাতন করার মামলা ও মিথ্যা মামলার প্রতিকার।

Image
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, এর ১১ ধারায় যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো বা আঘাত প্রদানের শাস্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।  যদি কোন নারীর স্বামী বা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন তা হলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি- (ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন; (খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বছর কিন্তু অন্যুন পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং উভয় দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন; (গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বছর কিন্তু অন্যুন এক বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন; সাধারনত দেশে নারী নির্যাতন আইনের ১১(গ) ধারায় অনেক ...